রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:২৫
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

আল্লামা শফীর মৃত্যু পরিস্থিতির বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

ডেক্সরিপোর্ট  হেফাজতে ইসলামের আমির ও দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার সাবেক মহাপরিচালক আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুকে অস্বাভাবিক আখ্যা দিয়ে এর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সভাপতি আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

এ সময় আল্লামা শফীর ইন্তেকালের আগের দু’দিন হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র বিক্ষোভকে বহিরাগত উসকানি আখ্যায়িত করে এটিরও বিচারের দাবি জানান তিনি।

মুফতি ওয়াক্কাস বলেন, আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই আল্লামা আহমদ শফী সাহেবের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। কোনো সন্দেহ নেই এর মধ্যে আমার। একটি শক্তি হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। যার পরিণতিতে আহমদ শফী সাহেবের নির্মম মৃত্যু হয়েছে। যেটা বলব- অস্বাভাবিক মৃত্যু, স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না।

পুরো বিষয়টির বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে মুফতি ওয়াক্কাস বলেন, যদি এটি বিনা বিচারে ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে পুরো কওমি অঙ্গনে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে। আল্লামা শফীর এমন নির্মম মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। এর জন্য আমি বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাই।

ছাত্র জমিয়তের সহ সভাপতি হাফেজ শাব্বির আহমদ রাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা শহীদুল ইসলাম আনসারী, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল হক কাউসারী, মুফতি জাকির হোসাইন খান, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মুফতি রেজাউল করীম, মাওলানা বেলায়েত ফিরোজী, মুফতি রেদওয়ানুল বারী সিরাজী, মাওলানা আবু বকর সরকার, মাওলানা আব্দুস সালাম, মুফতি কামরুজ্জামান কাসেমী, মুফতি মুশতাক ফোরকানী, মাওলানা হাসান আল মামুন প্রমুখ।

কাউন্সিলে সুহাইল আহমদকে সভাপতি , নিজাম উদ্দিন আল আদনানকে সাধারণ সম্পাদক ও সাজ্জাদ আহমদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।